রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম আটক হয়েছেন। আজ রোববার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। মূলত, উপস্থিত সাধারণ জনতা ও একদল শিক্ষার্থী তাকে সেখানে আটকে রাখেন। ফলে, এই আটকের খবরটি মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তাই, বিষয়টি নিয়ে এখন সারা দেশে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।
আর এস ফাহিম এবং শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
চিড়িয়াখানার সামনে অবস্থানকালে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাকে হঠাৎ করেই চারপাশ থেকে ঘিরে ধরেন। কারণ, বিগত ছাত্র আন্দোলনের সময় তার বেশ কিছু বিতর্কিত ভূমিকা ছিল। তাই, সাধারণ জনতা তার বিভিন্ন উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে সেখানে নানা প্রশ্ন করেন। কিন্তু, এই আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর উপস্থিত মানুষের কোনো প্রশ্নেরই সঠিক উত্তর দিতে পারেননি। সুতরাং, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটকে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খবর দেন।
ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে খুব দ্রুত সেখানে পুলিশের একটি গাড়ি পৌঁছায়। মূলত, পরিস্থিতি আরও বেশি উত্তপ্ত হওয়ার আগেই পুলিশ সেখানে শক্ত অবস্থান নেয়। কারণ, উত্তেজিত জনতা যেকোনো সময় তার ওপর বড় ধরনের হামলা করতে পারত। তাই, পুলিশ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে তাকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নেয়। ফলে, চিড়িয়াখানা এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া বড় ধরনের আতঙ্ক কেটে যায়।
শাহ আলী থানার ওসির গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য
এই চাঞ্চল্যকর আটকের ঘটনা নিয়ে শাহ আলী থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর কথা বলেছেন। তিনি জানান, উত্তেজিত জনতা তাকে ঘিরে ধরলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। মূলত, তার জীবনের সার্বিক নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই তাকে দ্রুত থানায় আনা হয়েছে। অন্যদিকে, তার বিরুদ্ধে আগে থেকে কোনো মামলা আছে কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিশেষে, পুলিশ তদন্ত শেষে এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমকে জানাবে বলে নিশ্চিত করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও ও প্রতিক্রিয়া
এই আটকের ঘটনার বেশ কয়েকটি ভিডিও ইতোমধ্যে ফেসবুকে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে গেছে। কারণ, সেখানে উপস্থিত অনেকেই নিজেদের মোবাইল ফোনে পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করেছিলেন। তাই, নেটিজেনরা এখন এই ভিডিওগুলো শেয়ার করে নিজেদের বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করছেন। একইভাবে, ছাত্র আন্দোলনের সময় তার নীরবতা নিয়ে অনেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পরিশেষে, পুলিশি তদন্তের পর তার আসল অপরাধ ও শাস্তির বিষয়টি পুরোপুরি পরিষ্কার হবে।



