রাত ১২ টা একটা খবর সারা বিশ্বকে নাড়া দিয়ে উঠল, বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কিত একটি অধ্যায়, চির লজ্জাস্কার নথিপত্র। এই দুর্বিসহ ঘটনার নায়ক এবস্টেইন। আসলেই কি তাই!

বর্তমান সময়ে দাড়িয়ে ফেইসবুক ব্যবহারকারী এমন কোন ব্যক্তিবর্গ নেই যে এবস্টেইন নথি  সম্পর্কে জানেন না,তবে আমরা এর পূর্বের  ঘটনায় যাচ্ছি না। আমরা খুজবো আমেরিকার প্রেসিডেন্ট  ডোনাল্ড ট্রাম্পের হঠাৎ এই রহস্যময়  পুথি প্রকাশের পেছনের ঘটনা।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নামটির পেছনে শুধু আমেরিকার রাজনীতি নয় বরং এর সাথে জড়িত বিশ্ব রাজনীতির বড় বড় নেতাকর্মী এবং বিশ্বের সকল ধনকুবিরের নাম। এবস্টেইন এর মৃত্যুর পর এই নারকীয় সিনেমাসুলভ নারী ও শিশুদের সেক্সুয়াল হারাসমেন্ট, অপকর্ম, ক্রয় বিক্রয়, ব্ল্যাকমেইল, যাকে এক কথায় বলা হয় ডার্ক সিক্রেট অফ আইল্যান্ড এর সকল তথ্য পকাশের জন্য বার বার প্রশাসনিক চাপ আসতে থাকে,

এক পর্যায়ে চাপের মুখে ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনের আগে ঘোষণা দেন তিনি জয়ী হলে এই সকল তথ্য বিশ্বের সামনে উন্মুক্ত করবেন। এই তথ্য উন্মুক্তের পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়েই। যেখানে ডকুমেন্টের ছবিতে ডোনাল্ড ট্রামকে দেখা যায় অল্প বয়সী তরুণদের সাথে যাতে পরিষ্কার বোঝা যায় ডোনাল্ড ট্রাম্প এবস্টেইনের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক যুক্ত ছিলেন। কিন্তু কিভাবে তিনি এত বড় সেক্সুয়াল ক্রিমিনাল এর সাথে বন্ধু সুলভ সম্পর্ক রাখলে এবং তিনি নিজেই সেই নথিপত্র প্রকাশ করলে এর পেছনের রহস্য কি?

আমেরিকার বর্তমান  রাজনৈতিক পরিবেশ বিবেচনা করলে দেখা যাবে বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিশালী রাষ্ট্রের সাথে বর্তমানে ট্রাম্পের সম্পর্ক বন্ধুসুলভ নয় তাহলে কি এই সেক্সুয়াল স্ক্যান্ডাল এর পেছনে বিশ্ব রাজনীতির বড় বড় নেতারা যুক্ত? যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম সবার আগে উঠে আসে এতে তার রাজনৈতিক সমাপ্তি ঘটতে পারে এ জানা সত্ত্বেও কেন তিনি এ সকল গুপ্ত নথি প্রকাশ করলেন?

এবস্টেইন এর নথির একটা অংশ প্রকাশিত হলে যেখানে সমস্ত বিশ্ব নড়বড়ে হয়ে ওঠে সেখানে কি এমন স্বার্থ থাকতে পারি ট্রাম্পের? তাহলে কি তিনি রাজনৈতিকভাবে না গিয়ে ব্ল্যাকমেইল এর পথে বিশ্বের শক্তিশালী ব্যক্তিদের হুঁশিয়ারি জানালেন। যে সকল নথিগুলোকে এখনো অপ্রকাশিত অবস্থায় রাখা হয়েছে সেগুলো প্রকাশের ইঙ্গিত দিলেন! নাকি সারা বিশ্বকে তার কথায় চলনা করার নতুন কোন ফাঁদ তেরি করলেন।এ সকল তথ্য যদিও পরিষ্কার নয় তবে ট্রাম্পের এ ধরনের আচরণ নতুন কিছুই নয়।

হাস্তগত ফাইল কেন ২০২৬ এ প্রকাল করা হলো,এটা আসলে কি সকল বিলিনিয়ারদের জন্য হুমকি নয় য়ারা যুক্ত আছেন এবস্টেইন স্যান্ডালে। বিষয়টা ঠিক এমন হয়ে দাঁড়ালো হয় আমার কথা শোনো  না হয় তোমার নাম ও সামনে আসবে যেভাবে প্রকাশ করেছি বাকিদের নাম। সত্যি বলতে বিশ্বকে হাতের মুঠোয় রাখার ডোনাল্ড ট্রামের ট্রাম কার্ড ছিল এপস্টেইন এর ফাইলগুলো।

– সাথী ইসলাম , কলামিস্ট