দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও এগিয়ে নিতে সরকার একটি চমৎকার উদ্যোগ নিয়েছে। মূলত, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে। আজ বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাটি দিয়েছেন। ফলে, দেশের সাধারণ ও দরিদ্র আয়ের মানুষের মাঝে এখন অনেক বড় একটি স্বস্তি ফিরে এসেছে। কারণ, এতে করে তাদের সন্তানদের পড়াশোনার খরচ অনেকটাই কমে যাবে।
বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা
বুধবার জাতীয় সংসদে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তাই, যারা আমাদের ভোট দিয়েছেন, তাদের প্রতি আমি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। একইভাবে, যারা আমাদের ভোট দেননি তাদের জন্যও কাজ করা আমার সমান দায়িত্ব।
ইশতেহার বাস্তবায়ন ও সরকারের নতুন উদ্যোগ
বর্তমান সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ইতোমধ্যে পুরোদমে কাজ শুরু করেছে। সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। শিক্ষার পাশাপাশি দেশের সার্বিক উন্নয়নের দিকেও এখন সমানভাবে নজর দেওয়া হচ্ছে। মূলত, সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতেই সরকার এই নতুন উদ্যোগগুলো নিচ্ছে। তাই, আগামী দিনগুলোতে দেশের অর্থনীতিতে একটি বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পরিবেশ রক্ষার উদ্যোগ
সংসদের এই বিশেষ অধিবেশনে পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশব্যাপী একটি বিশাল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন। তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমে দেশে ব্যাপক হারে গাছ লাগানো হবে। মূলত, সারা দেশে প্রায় দেড় কোটি বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে। ফলে, দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় থাকবে এবং আগামী প্রজন্ম একটি সুন্দর পরিবেশ পাবে।
ফ্যামিলি কার্ড প্রদান ও প্রান্তিক অর্থনীতি সচল
দেশে বর্তমানে মূল্যস্ফীতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বেশ বড় একটি শঙ্কা রয়েছে। তবে, প্রধানমন্ত্রী এই শঙ্কা পুরোপুরি দূর করার জন্য সবাইকে আশ্বস্ত করেছেন। তিনি বলেন, ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দেওয়ার কারণে দেশে মূল্যস্ফীতির কোনো শঙ্কা নেই। এতে উল্টো প্রান্তিক পর্যায়ের অর্থনীতি আরও অনেক বেশি সচল হবে। সুতরাং, সাধারণ মানুষ এখন খুব সহজেই তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সাশ্রয়ী মূল্যে কিনতে পারবেন।
বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস এবং আগামী দিনের পরিকল্পনা
সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার এই ফ্যামিলি কার্ডের পরিধি আরও বাড়াচ্ছে। আগামী ৩ মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবারকে নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। এছাড়া, আগামী ৪ বছরে দেশের আরও ৪ কোটি পরিবারকে এই বিশেষ ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। অন্যদিকে, সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজকের কার্যসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পরিশেষে, এসব যুগান্তকারী উদ্যোগে দেশের সাধারণ মানুষ দারুণভাবে উপকৃত হবে।



