বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন করে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি), অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল (এজি), ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি), মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) এবং লজিস্টিকস (লগ) এরিয়া জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) পদে এ রদবদল আনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সেনা সদর দপ্তর থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। এর আগে গত রোববারও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা হয়েছিল।

সর্বশেষ আদেশ অনুযায়ী, বর্তমান কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমানকে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, এনডিসির কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হককে নতুন কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) মেজর জেনারেল হোসাইন আল মোরশেদকে সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল পদে নিয়োগ করা হয়েছে। বর্তমান অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামানকে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) কমান্ড্যান্ট করা হয়েছে।

এমআইএসটির দায়িত্বে থাকা মেজর জেনারেল মো. নাসিম পারভেজকে প্রেষণে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কামরুল হাসানকে লজিস্টিকস এরিয়ার জিওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ পদে দায়িত্ব পালনকারী মেজর জেনারেল মো. মোস্তাগাউসুর রহমান খান স্বাভাবিক নিয়মে অবসরে যাচ্ছেন।

এর আগে গত রোববার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমানকে আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (আর্টডক) থেকে সেনা সদর দপ্তরের চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সময়ে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমানকে পদোন্নতি দিয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল করা হয় এবং তাকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

পিএসও হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানকে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন থেকে রাষ্ট্রদূত পদে প্রেষণে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর এই ধারাবাহিক রদবদলকে নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।